বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফরিদুল আলম বলেন, টেকনাফের বিভিন্ন গ্রাম থেকে আগাম বিভিন্ন ফল কিনে এনে বাজারে বিক্রি করেন তিনি। এবার কাঁচা আম প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি করছেন তিনি। মৌসুমের প্রথম ফল হিসেবে বেশ চাহিদাও আছে।

ফরিদুলের কাছ থেকে আম কিনছিলেন মোহাম্মদ কায়সার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘মাঘ মাসে সাধারণত আম বাজারে আসার কথা নয়। আমার বাড়ির আশপাশে এখনো গাছে মুকুলের দেখা মেলেনি। এ অবস্থায় বাজারে কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে। তাই আগাম ফল হিসেবে দাম বেশি হলেও ৯০০ টাকায় দুই কেজি আম কিনেছি।’

ফরিদুল যাঁর কাছ থেকে আম কিনেছিলেন, সেই বাগানের মালিক মো. হাবিবুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রায় ২০ বছর আগে মিয়ানমারের মংডুতে মামার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানকার পাহাড়ের পাদদেশে আমের বাগান দেখে আমিও পাকা আম নিয়ে আসি। সেখানকার বাগানমালিকদের পরামর্শে টেকনাফে প্রায় দুই শ চারা রোপণ করি। নিয়মিত পরিচর্যার কয়েক বছরের মধ্যে অধিকাংশ গাছে আম ধরতে শুরু করে।’

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ভবসিন্দু রায় প্রথম আলোকে বলেন, কিছু বারোমাসি আম আছে, বছরে তিনবার ফলন হয়। কিন্তু টেকনাফের গাছগুলোতে তিনবার ফলন হয় না। একবারই ফলন হচ্ছে, তা–ও আগাম। চৈত্রের আম পাওয়া যাচ্ছে মাঘ মাসে। গবেষণার মাধ্যমে এ গাছ বিভিন্ন স্থানে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করা গেলে কৃষকেরা লাভবান হবেন।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ, পল্লানপাড়া, মিঠাপানির ছড়া, বাইন্যাপাড়া ও নোয়াখালিয়া পাড়ায় কয়েক বছর ধরে আমের আগাম ফলন হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন