সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। সরকারের আশ্রয় প্রশয়ে এলপিজি গ্যাস, পেঁয়াজের পর ভোজ্যতেল নিয়ে তেলেসমাতিতে নেমেছেন অসাধু ব্যবসায়ী, মজুতদার সিন্ডিকেট চক্র। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উল্টো অসাধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করতে দফায় দফায় ভোজ্যতেলের মূল্যবৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষকে অসহনীয় কষ্টের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

বাসদ নেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, ঈদের আগে থেকেই বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা জনগণের পকেট থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছেন। সিন্ডিকেট চক্রটি হাজার হাজার লিটার তেল মজুত করে দাম বৃদ্ধির জন্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। সিন্ডিকেটের চাপে পড়ে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসেই সরকার সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। এখন মজুত করা তেল চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

বাসদ জেলা কমিটির সদস্যসচিব সাইফুজ্জামান টুটুল বলেন, করোনা মহামারিতে দেশে লাখো মানুষ কাজ হারিয়েছেন। অনেক মানুষের আয় কমেছে। এমন সময়ে ভোজ্যতেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধিতে মানুষের জীবন অসহনীয় হয়ে উঠেছে। ভর্তুকি দিয়ে হলেও দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে হবে। কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের ঘাড়ে ব্যয় বৃদ্ধির বাড়তি চাপ ফেলা যাবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন