উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন জানান, গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পর জেলা আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন আবদুল হক। এ সময় জেলার জ্যেষ্ঠ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। এ কারণে তাঁকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আবদুল হক কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে তিন মাসের মধ্যেই তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগকে লিখিতভাবে কারণ জানাবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চতুর্থ ধাপে উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক পেয়েছেন আবদুল হকের বড় ভাই বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালাম আবদুর রউফ। ওই ইউনিয়নে মাটির ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন জেলা আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতা। ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন। তবে ট্রাকে করে মাটি নেওয়ায় রাস্তাঘাট নষ্ট ও ধূলাবালু ওড়ায় ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষের মধ্যে দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হয়। নির্বাচনের আগপর্যন্ত মাটির ব্যবসা বন্ধ রাখতে বলা হলে জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ ওই নেতার সঙ্গে আবদুল হকের তর্কবিতর্ক হয়। এ ঘটনায় তাঁকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।