default-image

অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় অভিযোগ গঠনের জন্য রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। আজ বুধবার সকালে জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমানের আদালতে তাঁকে হাজির করলে আসামিপক্ষের আইনজীবী আবু বক্কর সিদ্দিকী সময় প্রার্থনা করেন।

কাল বৃহস্পতিবার আবার তাঁকে হাজির করে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন নির্ধারণ করেন আদালত। এরপর তাঁকে আবারও সাতক্ষীরা কারাগারে নেওয়া হয়। আলোচিত ওই দুই মামলার তিনি একমাত্র আসামি।

সাতক্ষীরা আদালতের পরিদর্শক অমল কুমার রায় জানান, গত বছরের ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাখরা কোমরপুর এলাকা দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করেন সাহেদ করিম। পরে বোরখা পরিহিত সাহেদকে কোমরপুর বেইলি ব্রিজের নিচ থেকে র‍্যাব-৬–এর সদস্যরা আটক করেন। এ সময় তাঁর কাছে থাকা ১টি অবৈধ পিস্তল, ৩টি গুলি, ২ হাজার ৩৩০ ভারতীয় রুপি, ৩টি ব্যাংকের এটিএম কার্ড ও মুঠোফোন জব্দ করা হয়। পরে সকালে সাতক্ষীরায় এনে হেলিকপ্টারযোগে তাঁকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় র‍্যাবের ডিএডি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দেবহাটা থানায় রাতে সাহেদ করিম ও জনৈক বাচ্চু মাঝিকে আসামি করে একটি মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা প্রথম হয়েছিলেন দেবহাটা থানার পরির্দশক (তদন্ত) উজ্জল কুমার মৈত্র। দুই দিন পর র‍্যাবের উপপরিদর্শক রেজাউল করিম তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়ে তাঁকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই বছরের ২৪ আগস্ট বাচ্চু মাঝির হদিস না পেয়ে শুধু সাহেদ করিমকে অভিযুক্ত করে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

এ মামলায় কয়েক দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আজ তাঁকে অভিযোগ গঠনের জন্য আদালতে আনা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন