বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাদীপক্ষে আইনজীবী প্যানেলের সদস্য মোহাম্মদ মনির উদ্দিন প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শামসুল ইসলাম ছাড়াও মামলার আরেক সাক্ষী পুলিশ কনস্টেবল রাসেল আহমদ আজ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। রাসেল আহমদ ঘটনাস্থল থেকে অনন্তের লাশ মেডিকেল কলেজর মর্গে নিয়ে গিয়েছিলেন।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফরেনসিক আলামত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতের বিভিন্ন বর্ণনা দিয়ে শামসুল ইসলাম আদালতকে বলেন, অনন্ত মাথা, ঘাড়সহ শরীরের স্পর্শকাতার জায়গায় আঘাত পেয়েছেন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এসব আঘাত করা হয়েছে। একের পর এক আঘাতের কারণে আধঘণ্টার মধ্যেই অনন্ত মারা যান। শরীরের কোন অংশে কী ধরণের আঘাতে মৃত্যু নিশ্চিত হয়, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে আদালতে এসব বিস্তারিত বর্ণনা দেন তিনি।

বাদীপক্ষের আইনজীবীরা জানান, আলোচিত এই মামলায় এখন পর্যন্ত ২৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ২৬ অক্টোবর আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন। ওই দিন যদি মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দেন, তাহলে আলোচিত এ মামলা যুক্তিতর্কের ধাপে চলে যাবে। এরপর রায়ের দিনক্ষণ ধার্য হবে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১২ মে সিলেট নগরের সুবিদবাজারে নূরানী আবাসিক এলাকার নিজ বাসার সামনে খুন হন অনন্ত। বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখির পাশাপাশি তিনি ‘যুক্তি’ নামে বিজ্ঞানবিষয়ক একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। এ ছাড়া বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

হত্যাকাণ্ডের পর অনন্তের বড় ভাই রত্নেশ্বর দাশ বাদী হয়ে সিলেট বিমানবন্দর থানায় অজ্ঞাতনামা চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। এতে বিজ্ঞান বিষয়ে লেখালেখির কারণে অনন্তকে ‘উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠী’ পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন