default-image

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে অবৈধ অস্ত্র সরবরাহ ও বিক্রির দায়ে দুই ব্যক্তিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৪ নেত্রকোনার বিচারক যুগ্ম দায়রা জজ মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এ রায় দেন। বিষয়টি রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি এপিপি মো. রফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার সময় তাঁদের মধ্যে একজন আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন তাজুল ইসলাম (৪২) ও মো. মজিম মিয়া (৩৮)। তাঁদের মধ্যে তাজুল জামিনে বের হয়ে পলাতক রয়েছেন। তাঁর বাড়ি দুর্গাপুর পৌর শহরের বাগিচাপাড়া এলাকায়। তিনি ওই এলাকার মৃত আজিজুল ইসলামের ছেলে। আর মজিম মিয়ার বাড়ি একই উপজেলার বাড্ডা এলাকায়। তিনি ওই এলাকার মৃত রাজ মাহমুদের ছেলে।

তাজুল ইসলাম, মজিম মিয়া ও আনোয়ার হোসেন র‌্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে সঙ্গে থাকা দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন। পরে র‌্যাব ওই দুজনকে রিভলবার, গুলি, রামদাসহ আটক করে।

মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, তাজুল ইসলাম ও মজিম মিয়া অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহ ও বিক্রি কাজে জড়িত। ২০১২ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাতে দুর্গাপুর পৌর শহরের সুসং ডিগ্রি কলেজ মাঠে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) সদস্য মো. নাসির উদ্দিন, মাইনুল ইসলাম ও এহসানুল হক ক্রেতা সেজে আসেন। এ সময় বিষয়টি টের পেয়ে তাজুল ইসলাম, মজিম মিয়া ও আনোয়ার হোসেন র‌্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে সঙ্গে থাকা দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন। পরে র‌্যাব ওই দুজনকে রিভলবার, গুলি, রামদাসহ আটক করে। এ সময় আনোয়ার পালিয়ে যান।

এ ঘটনার পর দিন তিনজনের নামে পুলিশ বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে আটক দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ২০১৩ সালের ৩০ অক্টোবর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এতে আনোয়ারকে বাদ দেওয়া হয়। আজ বিকেলে বিচারক মোহাম্মদ শহিদুর ইসলাম ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(এ) ধারায় দুজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন