শতবর্ষের প্রাচীন ফরিদপুর শহরের টেপাখোলা গরুর হাট। এ হাটে ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলার পাশাপাশি আশপাশের জেলার ক্রেতারাও গরু কিনতে আসেন। গুরুত্ব থাকায় প্রতিবছরই বেড়েছে ইজারা মূল্য। ফরিদপুর পৌরসভা পরিচালিত হাটটি চলতি ১৪২৮ বাংলা সনের জন্য ৬ কোটি ১১ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছেন শ্রাবণী কনস্ট্রাকশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিদ্দিকুর রহমান।
গত জুনের শেষে পদ্মা নদীর পাড়ে সিঅ্যান্ডবি ঘাট এলাকায় একটি অস্থায়ী গরুর হাট ইজারা দেওয়ার জন্য দরপত্র আহ্বান করে জেলা প্রশাসন। সিঅ্যান্ডবি ঘাট ফরিদপুর পৌরসভার বাইরে ডিক্রিরচর ইউনিয়নে অবস্থিত। ওই দরপত্র অনুযায়ী গত ২২ জুন সিঅ্যান্ডবি ঘাটের অস্থায়ী হাটটির ইজারা পান আলমগীর হোসেন। তিনি ডিক্রিরচর ইউপির চেয়ারম্যান মেহেদী হাসানের ভাই।
সিঅ্যান্ডবি ঘাট এলাকায় অস্থায়ী গরুর হাটের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে মেয়রের কাছে চিঠি দিয়েছেন টেপাখোলা গরুর হাটের ইজারাদার সিদ্দিকুর রহমান। চিঠিতে বলা হয়, কাছাকাছি দুটি গরুর হাট হলে তাঁরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তবে ১৫ জুলাই থেকে সিঅ্যান্ডবি ঘাটের অস্থায়ী গরুর হাটে গরু বিক্রির অনুমোদন দেওযাহয়।
জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, ‘অস্থায়ী হাটটি অনুমোদন দিয়ে ফেলেছি। এখন তো পিছিয়ে আসার সুযোগ নেই। টেপাখোলা গরুর হাট নিয়ে এখন যে কথাগুলো বলা হচ্ছে, তা আগে আমাকে বললে অনুমোদন না দেওয়ার সুযোগ ছিল।’