বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নাটোর সদর থানা সূত্রে জানা যায়, র‌্যাব-মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা শুক্রবার সকাল ছয়টার দিকে সদর উপজেলার পূর্ব হাগুরিয়া এলাকায় নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কের এফএনএ ফিলিং স্টেশনের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় সাইরেন বাজিয়ে একটা অ্যাম্বুলেন্স নাটোর থেকে রাজশাহীর দিকে যাচ্ছিল।

ওই অ্যাম্বুলেন্সের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় র‌্যাব সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সটিকে দাঁড় করান। পরে তল্লাশি করে অ্যাম্বুলেন্সের সিটের ওপর ডেকে রাখা গাঁজাভর্তি ছয়টি পোঁটলা উদ্ধার করা হয়। পোঁটলাগুলো এমনভাবে রাখা ছিল, যেন দেখে একজন মানুষ শুয়ে আছে বলে মনে হবে। এ সময় র‌্যাব সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সের চালক মো. রানা (১৯), যাত্রী শাহ আলম (৩১) ও আলামিন হোসেনকে (১৯) আটক করেন। আটক তরুণেরা লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার দক্ষিণ গড্ডিমারি গ্রামের বাসিন্দা। গাঁজা, অ্যাম্বুলেন্সসহ আটক তরুণদের র‌্যাব আজ সকালে সদর থানায় সোপর্দ করে।

এ ঘটনায় র‌্যাবের উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) দীলিপ কুমার সরকার বাদী হয়ে আটক তরুণদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তরুণদের আজ দুপুরে সদর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাঁদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
র‌্যাবের ডিএডি দীলিপ কুমার সরকার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার তরুণেরা জানিয়েছেন, র‌্যাব-পুলিশের চোখকে ফাঁকি দেওয়ার জন্য তাঁরা গাঁজা পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করেছেন। তাঁরা পেশাদার গাঁজা ব্যবসায়ী। তাঁরা গাঁজাগুলো হাতীবান্ধা থেকে এনে রাজশাহীতে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। উদ্ধার গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা বলে তিনি জানান। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুনছুর রহমান গাঁজা উদ্ধার ও এ ঘটনায় মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন