বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই নারীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয় ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক কুষ্টিয়া সদর শাখার মাধ্যমে। ওই শাখার ব্যবস্থাপক দিবাকর বিট বলেন, রাশেদা বেগম নামের এক নারী মার্চে ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে আসেন। তিনি ২২ লাখ টাকার চেক জমা দেন। এত টাকা তুলতে চাওয়ায় তাঁর সন্দেহ হয়। বিষয়টি তিনি যাচাইয়ের জন্য নেন। এরপর ওই নারী ব্যাংক থেকে সটকে পড়েন।

দিবাকর বিট আরও বলেন, ‘বিষয়টি আমি আমাদের প্রধান কার্যালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই নারীর ব্যাংক হিসাবে অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রায় কোটি টাকা জমা হয়েছে। এসব টাকা বিভিন্ন সরকারি অফিস থেকে আনা হয়েছে। ডাচ্–বাংলা ব্যাংকের কুষ্টিয়া বুথ ও ঝিনাইদহের সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং থেকেও টাকা তোলা হয়েছে। এরপর ওই হিসাব নম্বরটি ব্লক করে রাখা হয়েছে।’

রাজবাড়ী জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পাংশা উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে বদলি করার পর তাঁর জায়গায় আমি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছি। রাশেদা নামের এক নারী ওই টাকা তুলেছেন বলে শুনেছি। কিন্তু বিষয়টি কেন্দ্রীয়ভাবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, ঘটনার পর উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম থানায় এসে মৌখিকভাবে জানিয়েছিলেন। তাঁকে এ বিষয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছিল। এরপর তিনি আর আসেননি। অভিযোগ পেলে পুলিশ অবশ্যই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন