default-image

ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন ও নিষিদ্ধ এলাকার দূরত্ব কমানোর দাবিতে বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি—যশোরের উদ্যোগে মানববন্ধন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত যশোর প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন করা হয়।

মানববন্ধনে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ৯ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইট বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দাবি আদায় না হলে আগামী বছর থেকে ইট উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানান সমিতির নেতা-কর্মীরা।

মানববন্ধনে ইটভাটার মালিকেরা ছাড়াও শতাধিক ইটভাটার শ্রমিকেরা অংশ নেন। বক্তারা বলেন, সরকারি নির্দেশনার কারণে কোটি টাকা ব্যয় করে দেশের ড্রাম চিমনির ইটভাটার মালিকেরা তাঁদের ইটভাটাগুলো জিগজ্যাগ ভাটায় রূপান্তর করেছেন। বর্তমানে ৮০ শতাংশ ভাটাই জিগজ্যাগ ভাটা। ২০১৩ সালের ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ আইনে জিগজ্যাগ ভাটা বৈধ উল্লেখ করলেও ৮ নম্বর উপধারায় ইটভাটার নিষিদ্ধ এলাকার দূরত্ব ১ হাজার মিটার করা হয়। ওই ধারায় উল্লেখ করা হয় রেলপথ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা অনুরূপ কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এই দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। জনবহুল এই দেশে এই আইন কার্যকর হওয়া দুরূহ ব্যাপার। যে কারণে তাঁরা নিষিদ্ধ এলাকার দূরত্ব ৪৫০ মিটারের দাবি করে আসছেন।

বিজ্ঞাপন

বক্তারা আরও বলেন, আইনের ওই উপধারার কারণে পরিবেশ অধিদপ্তর ২০১৭ সাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া বন্ধ রেখেছে। ফলে ইটভাটায় যত্রতত্র অভিযান চালিয়ে ভাটা ভেঙে দিয়ে কোটি কোটি টাকা ক্ষতি করা হচ্ছে। এভাবে চললে তাঁরা ইট উৎপাদন করতে ব্যর্থ হবেন। এই অবস্থায় আইনের ৮ নম্বর উপধারা সংশোধনের জোরালো দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা।

বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি, যশোরের সভাপতি আবদুল মালেক বলেন, আইনের ৮ নম্বর উপধারা সংশোধন করা না হলে ৯ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইট বিক্রি বন্ধ থাকবে। দাবি আদায় না হলে আগামী বছর থেকে ইট উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন