বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বক্তারা আরও বলেন, আইনের ওই উপধারার কারণে পরিবেশ অধিদপ্তর ২০১৭ সাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া বন্ধ রেখেছে। ফলে ইটভাটায় যত্রতত্র অভিযান চালিয়ে ভাটা ভেঙে দিয়ে কোটি কোটি টাকা ক্ষতি করা হচ্ছে। এভাবে চললে তাঁরা ইট উৎপাদন করতে ব্যর্থ হবেন। এই অবস্থায় আইনের ৮ নম্বর উপধারা সংশোধনের জোরালো দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা।

বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি, যশোরের সভাপতি আবদুল মালেক বলেন, আইনের ৮ নম্বর উপধারা সংশোধন করা না হলে ৯ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইট বিক্রি বন্ধ থাকবে। দাবি আদায় না হলে আগামী বছর থেকে ইট উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন