বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শনিবার বিকেলে নগরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাপ্পী চত্বর এলাকায় এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন আইভী। তিনি বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অন্তরে লালন করি। আমার বাবা আলী আহাম্মদ চুনকা আওয়ামী লীগ করেছেন। আমি আমৃত্যু এই দল করে যাব। আমৃত্যু জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলব। কিন্তু কাজ করার সময় দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করি। এটা আমি নির্বাচনের আগেও বলি, পরেও বলি। আমি আপনাদের সবার মেয়র। সব দলের মানুষ আমার কাছে সমান। কিন্তু আমার পরিচয়, আমি শেখ হাসিনার কর্মী।’

১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাপ্পী চত্বর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা সড়কের নামফলক উন্মোচন করেন মেয়র আইভী। পরে ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি, এখানে অন্য দলের লোকজনও আছেন। তাঁদের প্রতি সম্মান জানিয়েই কথাগুলো বললাম।’

আইভি বলেন, এই এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সব সময় তাঁর পাশে ছিলেন। ২০১১ সালে অনেক চোখরাঙানিকে উপেক্ষা এই ১৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছিলেন তিনি। তখন বীর মুক্তিযোদ্ধারা তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি তাঁদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সিটি কর্তৃপক্ষ প্রতি ওয়ার্ডে একটি করে সড়ক মুক্তিযোদ্ধাদের নামে করা হচ্ছে বলে জানান মেয়র।

আইভী আরও বলেন, টেকসই উন্নয়ন করার কারণে জাতিসংঘ থেকে পুরস্কারও পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জননেত্রী শেখ হাসিনা এই বাংলার মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনা যদি প্রধানমন্ত্রী না হতেন, তাহলে পদ্মা সেতু হতো না।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র আফরোজা হাসান, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কবির হোসাইন, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শরফুদ্দিন রবি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হোসেন সিদ্দিকী প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন