পবা ও মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়োগপ্রাপ্ত ২৬ জন গতকাল যোগদান করতে গেলে তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। দুই উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা তাঁদের জানিয়েছেন, একটা জটিলতা হয়েছে। জটিলতা শেষ হলে তাঁরা কাজে যোগ দিতে পারবেন।

মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আরিফুল কবির বলেন, স্থানীয় সাংসদ তাঁদের যোগ দিতে নিষেধ করেছেন। কেন যোগদান করতে বারণ করেছেন, তা তিনি বলতে পারবেন না।

পবার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাবেয়া বাসরী বলেন, নিয়োগ হয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে। তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে পারবেন না।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আয়েন উদ্দিন বলেন, এই নিয়োগে চলেছে টাকার খেলা। স্বজনপ্রীতি হয়েছে। অথচ করোনাকালে অনেকে বিনা পারিশ্রমিকে দিনের পর দিন কাজ করেছেন। কথা ছিল, অস্থায়ী কোনো নিয়োগ হলে তাঁদের নেওয়া হবে। কিন্তু এখন হঠাৎ শুনছেন, আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ হয়ে গেছে। যাঁরা এত দিন স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন, তাঁদের নিতে হবে। হঠাৎ করে বাইরের লোক এসে কাজ করবেন, তা হবে না। আর এটা তো পরীক্ষা দিয়ে নিয়োগ নয়। তাহলে পুরোনোদের নিতে অসুবিধা কোথায়?

যাঁরা এত দিন স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন, তাঁদের নিতে হবে। হঠাৎ করে বাইরের লোক এসে কাজ করবেন, তা হবে না।
আয়েন উদ্দিন, সাংসদ , রাজশাহী-৩

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিএসএস সিকিউরিটির লাইসেন্স নিয়ে জনবল সরবরাহের কাজটি করেছেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আশিক হোসেন। যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সাংসদ হয়তো তাঁর লোক দিতে চাচ্ছেন। সে সুযোগও রয়েছে। তাঁরা পরিবর্তন করে দিতে পারবেন।

রাজশাহীর সিভিল সার্জন আবু সাঈদ মোহাম্মদ ফারুক বলেন, সাংসদ ভুল বুঝছেন। তাঁরা নিয়ম মেনে ঠিকাদার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন। সেই ঠিকাদার আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ দিয়েছেন। এখানে তাঁদের কিছু করার নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন