বিজ্ঞাপন

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় পুলিশ সদস্যরাও হামলার শিকার হন। এতে আহত ব্যক্তিরা হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন অর রশীদ (৪৫), এএসআই হাবিবউল্লাহ (৩৩) ও ফারুকুজ্জামান (৪২), কনস্টেবল মিরাজ (৪৬), রফিকুল ইসলাম (৫২), বজলুর রহমান (৫২) ও মাসুদ রানা (২৯)। এই সাতজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এক পক্ষের নেতা মান্নান মাতুব্বর বলেন, ‘পূর্বশত্রুতার জেরে আজ সকালে মাসুদের লোকজন আমার লোকজনের বাড়িঘর ভাঙচুর করেন। বিষয়টি আমি আঁচ করতে পেরে বোয়ালমারী ও সালথা থানা-পুলিশকে জানিয়েছিলাম।’ অপর পক্ষের নেতা মাসুদ শেখ বলেন, ‘আমার লোকজন ময়েনদিয়া বাজারে বাজার করতে গেলে মান্নান মাতুব্বরের লোকজন তাঁদের মারধর করেন। অনেক সময় বাজার থেকে ধাওয়া দেন। এ ছাড়া আমার লোকজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে তাঁর দলে ভেড়াতে চান।

আজ সকালে মান্নানের লোকজন আমার গ্রুপের লোকদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ করেছেন এবং বাড়িঘর ভাঙচুর করেছেন।’

ঘটনাস্থল থেকে উভয় পক্ষের ১৮ জনকে আটক করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) আনিচুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। এলাকার পরিবেশ বর্তমানে শান্ত আছে। বিকেল চারটা পর্যন্ত কোনো পক্ষই সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন