বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নোমান মৃধার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ২০৬ ভোট। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী চান মিয়া মাঝি ৪ হাজার ১২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন। এবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীর ভরাডুবির কারণ হলো, তিনি (রাম প্রসাদ) ছিলেন মূলত দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর ডামি প্রার্থী।

২০১৬ সালের নির্বাচনে চান মিয়া মাঝির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মো. নোমান মৃধা হেরে যান। নোমান মৃধা বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় এবার তাঁর দলীয় মনোনয়ন পাওয়া অনিশ্চয়তা দেখা দিলে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম এ আউয়াল কৌশল করে রাম প্রসাদ রায়কে দলীয় মনোনয়ন পাইয়ে দেন। রাম প্রসাদ রায় প্রার্থী হলেও প্রচার-প্রচারণা চালাতে দেখা যায়নি।

চান মিয়া মাঝি বলেন, ‘বিদ্রোহী প্রার্থী নোমানকে বিজয়ী করতে রাম প্রসাদকে নৌকা পাইয়ে দেন আউয়াল। রাম প্রসাদ নোমানের ডামি প্রার্থী ছিলেন, তা ভোটের ফলাফলে প্রমাণিত হয়ে গেছে। যেখানে আমি ২০১৬ সালে নৌকা প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলাম, সেখানে এবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীর শোচনীয় হার। এটা আওয়ামী লীগের জন্য লজ্জা।’

রাম প্রসাদ রায় বলেন, ‘নোমান মৃধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, আমি সাধারণ সম্পাদক। এ জন্য হয়তো দলের নেতা-কর্মীরা আমার পক্ষে ওইভাবে মাঠে নামেননি। তা ছাড়া তিনি এগিয়ে থাকায় আওয়ামী লীগের লোকজন ও ভোটাররা নোমানকে ভোট দিয়েছেন।’

বিজয়ী প্রার্থী নোমান মৃধা বলেন, ‘রাম প্রসাদ রায় আমার ডামি প্রার্থী হবেন কেন? তিনি নৌকা পেয়েছেন। আমার জনপ্রিয়তা আমাকে বিজয়ী করেছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন