সমাবেশে জেলা বিএনপির বিবদমান দুই পক্ষের একাংশের নেতা-কর্মীরা অংশ নেননি। এ ছাড়া জেলার বেশির ভাগ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সমাবেশে অনুপস্থিত ছিলেন।

বিলকিস জাহান বলেন, এই সন্ত্রাসী সরকার বিরোধী দলের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা–মামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ঈদের দিনও দেশে বিএনপির নেতা–কর্মীরা নামাজ পড়তে পারেনি। এই অবৈধ সরকার ৭২ থেকে ৭৫ সালে যেভাবে দেশের মানুষের ওপরে অন্যায়–অত্যাচার করেছে, আবার সেই একই কায়দায় জুলুম–নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। এভাবে আর মেনে নেওয়া যায় না। দেশের মানুষ আজ ভালো নেই। তাঁদের এই জালেম সরকারের হাত থেকে বাচাঁতে হবে।

সরকারি দলের দুর্নীতিবাজদের কারণে তেলসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিলকিস জাহান বলেন, কোথাও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এই অবৈধ সরকার সব ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। দেশকে বাঁচাতে হবে, দেশের মানুষকে বাঁচাতে হবে। সেই লক্ষ্যে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই।

পুলিশকে উদ্দেশ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, আপনারা জনগণের লোক, জনগণের পাশে থাকেন, এই সরকার আপনাদের ব্যবহার করছে। এই সরকারের সময় শেষ। শ্রীলঙ্কায় এমপি-মন্ত্রীদের শরীরে জামাকাপড় ছিল না। দেশের মানুষের ওপর নির্যাতন করলে আগামীতে আপনাদের গায়েও জামাকাপড় থাকবে না।

পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব গাজী ওহিদুজ্জামান, সদস্য আবুল কালাম আখন্দ, পৌর কাউন্সিলর আবদুস সালাম, বিএনপি নেতা শেখ শহিদুল্লাহ, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রহিমা আক্তার, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সালাহউদ্দিন প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন