বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

‘বিদ্রোহী’ চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন সদর উপজেলার মজলিশপুর ইউপিতে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম, বুধল ইউপিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হামিদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান, নাটাই উত্তর ইউপিতে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক মো. হালিম শাহ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্য কাজী মো. মোবারক হোসেন ও আমির হোসেন, তালশহর পূর্ব ইউপিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এনামুল হক ও সদস্য আল-আমিন, বাসুদেব ইউপিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্য নেছার উদ্দিন শেরশাহ ও আবদুল হাকিম মোল্লা, সাদেকপুর ইউপিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্য সাইদুজ্জামান, রামরাইল ইউপিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্য মশিউর রহমান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহীন ভূঁইয়া, সুলতানপুর ইউপিতে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শেখ মোহাম্মদ মহসিন ও সাধারণ সদস্য সুধীর চন্দ্র ঘোষ।

জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক স্বাক্ষরিত ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত অনেকেই চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন। দলীয় বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীদেরকে ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার জন্য সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা বার বার অনুরোধ করেছেন। ওই অনুরোধ সত্ত্বেও বিদ্রোহীরা তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। তাই সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সুপারিশে মঙ্গলবার জেলা আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থীদেরকে তাঁদের সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ৪৭ ধারার (১১) উপধারা মোতাবেক বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার গুরুতর শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিতে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থনকারী স্থানীয় সব দলীয় নেতা-কর্মীদের দল–মনোনীত প্রার্থীর (নৌকা) পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নতুবা তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বুধল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আবদুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ দল থেকে বহিষ্কার করেছে। বিষয়টি নিয়ে বলার কিছুই নেই। নির্বাচনে স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’

আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী বাসুদেবের হাকিম মোল্লা ও তালশহর পূর্বের আল–আমিন বলেন, ‘আমরা স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ১৫ ‘বিদ্রোহী’ চেয়ারম্যান প্রার্থীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জানা গেছে, পঞ্চম ধাপে আগামী ৫ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন হবে। ১০টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন