বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি কাউন্সিলর আলমগীর হোসেন হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের জন্য জামিন নেন। হত্যাকাণ্ডের পর গত বছরের ২৪ জুলাই কাউন্সিলর আলমগীর হোসেনকে কেন্দ্রীয় যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। আজ কুমিল্লার আদালতে হাজির হয়ে তিনি জামিন প্রার্থনা করলে তা নামঞ্জুর হয়।

এই মামলার ১০ আসামির মধ্যে শুধু আলমগীর কারাগারে গেলেন। আটজন জামিনে আছেন। আর একজন পলাতক।
রেখা বেগম, মামলার বাদী

মামলার বাদী রেখা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, এই মামলার ১০ আসামির মধ্যে ৯ নম্বর আসামি জুবায়ের হোসেন পলাতক। তিনি মামলার আরেক আসামি আমির হোসেনের ছেলে। অপর নয়জন আসামির মধ্যে শুধু আলমগীর কারাগারে গেলেন। আটজন জামিনে আছেন।

এ নিয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের দুই কাউন্সিলর এখন কারাগারে। এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি বিকেল পাঁচটার দিকে ঢাকার শাহবাগ এলাকা থেকে ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য আবদুস সত্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গত বছরের ১১ নভেম্বর যুবলীগ নেতা জিল্লুর রহমান চৌধুরীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার মামলার ২ নম্বর আসামি সত্তার। এ ছাড়া ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর কুমিল্লা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনকে (৪৫) গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ওই ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আবদুস সত্তারের যোগসাজশ রয়েছে বলে দাবি দেলোয়ারের পরিবারের। পিবিআই তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন