বিজ্ঞাপন

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কয়েকজন নেতা–কর্মী ফেরিঘাটের সোহরাব প্যাদা নামের এক দোকানির কাছে সিগারেট ধরানোর জন্য দেশলাই চাইলে দোকানির সঙ্গে তাঁদের বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে চা-দোকানি সোহরাবকে মারধর করলে আশপাশের দোকানি ও স্থানীয় লোকজন প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিত্যক্ত অবস্থায় চারটি মোটরসাইকেল জব্দ করে। তবে এ সময় পুলিশ কাউকে আটক করেনি। এখন পর্যন্ত মোটরসাইকেলগুলোর মালিকানা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

আসলে আমি ফেরি পার হয়ে লেবুখালী এলাকায় পৌঁছানোর আগেই ঘটনাটি ঘটেছে। তবে আমাকে এগিয়ে নিতে বাউফল থেকে কেউই এখানে আসেনি। এটা আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি।
জিয়াউল হক, মেয়র, বাউফল পৌরসভা

এ ঘটনায় চা–দোকানি সোহরাব প্যাদা (৬৫), মো. সাবু (২৫), বজলু প্যাদা (৪৫), রাজিব (২২), বাহার খা (৩০), মোহন শরীফ (২০), আলকাচ মাস্টার (৫৫), আল-আমীনসহ (৩০) অন্তত ১০ জন আহত হন বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে গুরুতর জখম বজলু প্যাদাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যদের একই হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বাউফলের মেয়র জিয়াউল হক মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আসলে আমি ফেরি পার হয়ে লেবুখালী এলাকায় পৌঁছানোর আগেই ঘটনাটি ঘটেছে। তবে আমাকে এগিয়ে নিতে বাউফল থেকে কেউই এখানে আসেনি। এটা আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি।’ এ ঘটনার সঙ্গে দলীয় কেউ জড়িত নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বাউফলের মেয়রকে স্বাগত জানাতে দলীয় নেতা-কর্মীরা ফেরিঘাটে আসেন। তখন সিগারেট ধরানোর মতো তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে তাঁরা স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পৌর মেয়র জিয়াউল হক ফেরিঘাট পৌঁছানোর আগেই এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় চারটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে।

তবে এ ঘটনায় পুলিশের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন