বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওমর হায়দার। তিনি বলেন, কেন্দ্রে গোলযোগ সৃষ্টি ও ব্যালট পেপার লুটের ঘটনার সময় গোলাগুলিতে আবদুল হালিমের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ধরার চেষ্টা চলছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১০০-১৫০ জন প্রবেশ করে ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন এবং ব্যালট পেপারে সিল মারতে থাকেন। এ সময় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা বাধা দিলে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন ওই ব্যক্তিরা। কেন্দ্র দখলের বিষয়টি বুঝতে পেরে একাধিক প্রার্থীর সমর্থকেরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকে গুলিবর্ষণ ও সংঘর্ষে লিপ্ত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পুলিশকে গুলি করার নির্দেশ দেন। পরে ভোটকেন্দ্রের দ্বিতীয় তলায় পুরুষ বুথের সামনে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আবদুল হালিমকে পাওয়া যায়। তাঁকে কুতুবদিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবদুল হালিম ওই ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালামের নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন। তিনি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বাড়ি বড়ঘোপ ইউনিয়নের গোলদারপাড়া গ্রামে।

এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে নিহত আবদুল হালিমের জানাজায় অংশ নেওয়া জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন। সেখানে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক ও কক্সবাজার-২ আসনের সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক প্রমুখ।

ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ওই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছিল। এমন পরিবেশে পুলিশ গুলি চালাল কেন? এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে। সেটা জানতেই ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়া দরকার।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন