বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযান চলাকালে সোহাগবাড়ি গ্রামের পাখি শিকারি রায়হান আলীসহ তিনজন খালের পানি ডিঙিয়ে পালিয়ে যান। তবে এক কিশোর পাখি শিকারিকে ধরা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে পাখিগুলো অবমুক্ত করা হয় এবং পাখি শিকারের ফাঁদ পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউএনও সামিরুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল হাসান, চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহসভাপতি হাসান ইমাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহাদৎ হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আল আমিন সরকার প্রমুখ।

চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্ষা শেষে চলনবিলে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখির আনাগোনা চোখে পড়ে। আর এ সুযোগে কিছু লোভী শিকারি ফাঁদ দিয়ে পাখি শিকারে মেতে ওঠে। তাই বিলের পাখি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রচারপত্র বিলিসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। তারপরও পাখি শিকার রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন