মনিয়ন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ভারতের ত্রিপুরা থেকে আসা পানির চাপে হাওর রক্ষা বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এখনো ৪টি গ্রাম ও ১০০ পরিবার পানিবন্দী। চারটি সড়ক ও অনেক পুকুর পানিতে তলিয়ে গেছে। মৎস্যজীবীদের প্রায় কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কর্নেল বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ইটনা, আইড়ল, লক্ষ্মীপুর ও খারকুট গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। উপজেলার সঙ্গে এসব গ্রামের যোগাযোগ একেবারেই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রাক্‌–প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৭৬। তাদের মধ্যে ছেলে ১২৯ ও মেয়ে ১৪৭ জন। আইড়ল গ্রামের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার, নাদিয়া আক্তার ও ফাহমিদা সুলতানা, শান্তিপুর গ্রামের সাদিয়া আক্তার, দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী মরিয়ম আক্তার বিদ্যালয়ে এসেছে। বৈরী আবহাওয়ায় ও বাঁধ ভাঙার কারণে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসতে পারছে না।

default-image

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ইউনিয়নের শিবনগর, বড়লৌহঘর, তুলাইশিমুল ও মিনারকুট গ্রামের পানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে এসেছেন। অন্য সময় বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে আসতে সময় লাগে ১৫ মিনিট। আজ লেগেছে ৪০ মিনিট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মইনুল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, রোববার সকাল নয়টায় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পানি বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আবহাওয়া কার্যালয়ের তথ্যমতে, আগামী তিন দিন পর্যন্ত বৃষ্টি হবে। পানি বাড়ার আশঙ্কা আছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন