বিজ্ঞাপন

আখাউড়া ইমিগ্রেশন ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আখাউড়া-আগরতলা সীমান্ত দিয়ে আসা ১৫ জন যাত্রীর মধ্যে ৬ জনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ২ জনকে হোটেল তিতাসে, ৪ জনকে গ্র্যান্ড মালেক হোটেল ও ৩ জনকে আশিক প্লাজা হোটেলে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

জেলা ও আখাউড়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ এপ্রিল থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে যাত্রীদের যাতায়াত শুরু হয়। চলতি মাসের ১৩ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশে আসা ৫৮৭ জনের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত ১৫ জন ভারতীয় বাংলাদেশে এসেছেন। বাকি ৫৭২ জন বাংলাদেশির মধ্যে ৪৩ জন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ১৪দিন পূর্ণ করায় এখন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মোট ৩১ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

আখাউড়া ইমিগ্রেশনের ইনচার্জ আবদুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, আটকে পড়া যাত্রীদের যাতায়াত অব্যাহত রয়েছে। ঈদের দিন শুক্রবার ১৫ জন বাংলাদেশে ফিরেছেন। আর একজন ভারতীয় নিজ দেশে ফিরে গেছেন।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-এ আলম প্রথম আলোকে বলেন, জেলায় ২৬৭ জন কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। শুক্রবার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আসা ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক এক বাংলাদেশির স্ত্রী।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন