বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেল, আশ্বিন-কার্তিক মাসে এই অঞ্চলে একসময় কাজের সংকট ছিল। কৃষক-দিনমজুরসহ সবাই প্রায় বেকার হয়ে যেতেন। তা দূর করতে আগাম জাতের আমন ধান চাষ শুরু করা হয়। জেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩১৫ হেক্টরে। এর মধ্যে কৃষকেরা ২৩ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে আগাম হাইব্রিড জাতের আমনের চাষ করেছেন। হাইব্রিড ছাড়াও উচ্চ ফলনশীল বিনা-১৭, ব্রি-৭৫, ব্রি-৮৭ জাতের ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত ৯৫০ হেক্টর জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে।

সদর উপজেলার উনত্রিশ মাইল এলাকার কৃষক আনোয়ার হোসেন (৩৯) দুই একর জমিতে হাইব্রিড ধানের চাষ করেছিলেন। এখন জমির সেই ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। আনোয়ার বলেন, এবার ফলনের পাশাপাশি ধানের দামও ভালো। আর এতেই কৃষকেরা খুশি।

জগন্নাথপুর গ্রামের আরেক কৃষক রফিকুল ইসলাম (৫৮) দুই বিঘা জমিতে হাইব্রিড জাতের ধান চাষ করেছেন। ফলনের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, খরচ আর ধানের দাম মিলিয়ে এবার মোটামুটি লাভ হবে। ধান উঠলে যে টাকা হাতে আসবে, তা আবার আলুর আবাদে খরচ করবেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু হোসেন বলেন, স্বল্পমেয়াদি ফসলের কারণে আগাম জাতের আমন চাষে এই অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে বেশ উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। চলতি মৌসুমে রোগবালাইয়ের জন্য অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হয়নি। ফলে উৎপাদনে খরচও কম হয়েছে। ভালো দাম থাকায় কৃষকেরাও খুশি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন