বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্র জানায়, এবার ঈদ উপলক্ষে বিশেষ সার্ভিসের আওতায় ২৮ থেকে ২৯টি লঞ্চ বরিশাল নৌবন্দরে যাত্রী পরিবহন করবে। করোনার প্রকোপ কমায় এবার ঘরমুখী মানুষের ভিড় আগের যেকোনো বছরের তুলনায় বেশি হতে পারে। এ জন্য ঘরমুখী মানুষের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সার্বিক নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় একটি বন্দর সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে।

বিআইডব্লিউটিএর বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ঘরমুখী যাত্রীদের নিরাপত্তা ও অন্যান্য সমস্যা লাঘবে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা থাকবে। সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বরিশাল জেলা প্রশাসন, নগর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি নিয়ে যাত্রী নিরাপত্তায় বন্দর সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে।

ঢাকা-বরিশাল নৌপথে চলাচল করা ‘সুন্দরবন নেভিগেশন’-এর পরিচালক ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ–চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থার (জাপ) সহসভাপতি সাইদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকা-বরিশাল নৌপথে ঈদের আগে ও পরে কেবিনের চাহিদা বেশি থাকে। বিশেষ করে ভিআইপি কেবিনের চাহিদা বেড়ে যায়। যাত্রীর তুলনায় কেবিনের সংখ্যা কম হওয়ায় লটারির মাধ্যমে যাত্রীদের মধ্যে আগাম টিকিট দেওয়া হয়ে থাকে। আগামীকাল থেকে লঞ্চগুলোর ঢাকা ও বরিশালের কাউন্টার থেকে চাহিদাপত্র দেওয়া যাত্রীরা টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।

কয়েকজন লঞ্চমালিক প্রথম আলোকে বলেন, এবার বেশিসংখ্যক যাত্রীর ফেরার সম্ভাবনা আছে। ঈদের আগে ও পরে দীর্ঘ ছুটি থাকায় বর্ধিত এ চাপ কোনো ধরনের সমস্যা তৈরি করবে না। তা ছাড়া বরিশাল-ঢাকা নৌপথে এবার লঞ্চের সংখ্যাও বেড়েছে। ঈদের সময় কেবিনের চেয়ে ডেকের যাত্রী বেশি হয়। ডেকের অধিকাংশ যাত্রীরাই পোশাক কারখানার শ্রমিক। তাই বিশেষ সার্ভিসের জন্য পোশাক কারখানায় ছুটির জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। তবে ২৫ এপ্রিলের পর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বিআইডব্লিউটিএ ও লঞ্চমালিকদের যৌথ সভায় সার্ভিস চালুর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, ঈদের সময় যাত্রীদের চাপ বেড়ে যায়। এ জন্য বরিশাল নৌবন্দরের গ্যাংওয়েগুলো মেরামত করা হচ্ছে। পন্টুনের ভেতরে যাত্রীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিশেষ সার্ভিস শুরু হলে লঞ্চগুলো ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে রাত দুইটার মধ্যে বরিশাল বন্দরে পৌঁছায়। গভীর রাতে যাত্রীরা যাতে নিরাপদে বন্দরে অবস্থান করতে পারেন, সে জন্য অতিরিক্ত যাত্রী ছাউনির ব্যবস্থা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন