বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গৌতম রায় আরও বলেন, ‘দলীয় মনোনয়ন ফরম দিয়ে কোনো প্রকার ভোট ছাড়াই বিগত নির্বাচনের বিদ্রোহী প্রার্থী ইকবাল

মাহমুদের নাম ১ নম্বরে দিয়ে মনোনয়ন প্রার্থীর তালিকা প্রস্তুত করে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এ ধরনের প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাই।’

ইকবাল মাহমুদ বর্তমানে দশমিনা সদর ইউপির চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘২০১৬ সালের নির্বাচনে দল থেকে প্রথম আমাকেই দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। কিন্তু কুচক্রী মহলের কারণে আমার দলীয় মনোনয়ন বাতিল করা হয়। পরে দল থেকে নতুন করে গৌতম রায়কে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে আমি নির্বাচন থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করতে পারিনি। স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছিলাম।’

ইকবাল মাহমুদ আরও বলেন, ‘গৌতম রায় ওই নির্বাচনে ব্যাপক সহিংসতা চালিয়েছিলেন। তিনটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত হয়েছিল। আমি বিপুল ভোটে এগিয়ে ছিলাম। পরে কেন্দ্রীয় নেতারা ওই তিন কেন্দ্রে পুনরায় ভোটের সময় গৌতম রায়কে আমার পক্ষে সমর্থনের জন্য বলেন। এলাকার মানুষের বিপুল সমর্থনের কারণে নির্বাচিত হই। তাই এবারও আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন