বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ২৯ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির পঞ্চম সভায় দুই ধাপে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী বাছাই করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তখন প্রথম ধাপে জিপিএর ভিত্তিতে সব মিলিয়ে ১ লাখ ৮ হাজার জনকে বাছাই করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। দ্বিতীয় ধাপে বাছাই করা ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পাশাপাশি আবেদন ফরমের দামও বাড়ানো হয়েছিল। বিভিন্ন অনুষদ ও ইনস্টিটিউটের ফরমের দাম ৪০০ ও ৬০০ টাকা থেকে যথাক্রমে ৭৫৫ ও ১ হাজার ১৫৫ টাকা করা হয়েছিল।

এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে পরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিত ১ মে ভর্তি পরিচালনা কমিটির জরুরি সভা ডাকা হয়। সেদিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয় থেকে জানানো হয়, ভর্তি পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট বিষয়ের সিদ্ধান্ত ১৮ মের সভায় চূড়ান্ত করা হবে। সে মোতাবেক গতকালের সভা হয়।

আবু হাসান বলেন, জিপিএর ভিত্তিতে শিক্ষার্থী বাছাই করে দুই ধাপে ভর্তি আবেদনের বিষয়টি থাকছে না। শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকছে। তবে পরবর্তী বছরে তা থাকবে কি না, এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি আরও বলেন, এ বছর ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি বাড়ানো হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ কিছুটা বেশি চাওয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ভর্তি পরীক্ষার তারিখসহ সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আবু হাসান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন