রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন মামলার ১ নম্বর আসামি আজিজ সিকদার, ২ নম্বর আসামি ফিরোজ আলম, ১৪ নম্বর আসামি রিয়াদ সিকদার ও ১৫ নম্বর আসামি মুহাম্মদ মুন্না। আসামিদের সবার বাড়ি খুরুশকুল ইউনিয়নের মধ্যমডেইলপাড়া ও প্যাঁচারপাড়ায়।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়াবাজার এলাকার একটি বাড়ি থেকে মুন্না ও রিয়াদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগের দিন মঙ্গলবার র‍্যাব আজিজ সিকদার ও ফিরোজ আলমকে গ্রেপ্তার করে। র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আজিজ সিকদার ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল উদ্দিনকে হত্যার দায় স্বীকার করে বলেন, তাঁর নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন হামলায় অংশ নিয়েছিলেন। অটোরিকশা থেকে নামিয়ে ফয়সাল উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা করতে সময় লেগেছিল ৫ থেকে ১০ মিনিট।

পুলিশ জানায়, ৩ জুলাই সন্ধ্যা ৭টার দিকে খুরুশকুল ইউনিয়নের ডেইলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন শেষ করে অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন ফয়সাল। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে। তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ফয়সাল একই ইউনিয়নের কাউয়ারপাড়ার মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে।

হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর ৫ জুলাই ফয়সালের বড় ভাই নাছির উদ্দিন বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় আজিজ সিকদারসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪ জুলাই পুলিশ দুই নারীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন