বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরেজমিন দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মূল ভবনের সামনে চারটি অস্থায়ী বেসিন স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের প্রতিটি ইউনিটের সামনে তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন বিদ্যালয়ের কর্মচারীরা। শ্রেণিকক্ষগুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আসন সাজানো হয়েছে। দশম শ্রেণির কক্ষে ঢুকে দেখা গেল, এক বেঞ্চ পরপর শিক্ষার্থীদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে ঘণ্টা বাজতেই শ্রেণিকক্ষে ঢুকলেন শিক্ষক। আর এতেই যেন প্রাণ ফিরে এল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে।

শিক্ষার্থী মিনহাজুল ইসলাম বলে, ‘অনেক দিন পর বন্ধুদের সঙ্গে ক্লাসে দেখা হচ্ছে। আজ কী যে আনন্দ লাগছে, তা বলে বোঝাতে পারব না। আজ আমার কাছে ঈদের দিন মনে হচ্ছে।’

আরেক শিক্ষার্থী শাহরিয়ার জানায়, দীর্ঘদিন পর আজ স্কুলে এসে ক্লাস করার আনন্দে রাতে ঘুম হয়নি। এত দিন পর ক্লাসরুমে ঢোকায় যে কী রকম আনন্দ লাগছে, তা শিক্ষার্থীরা ছাড়া কেউ বুঝতে পারবে না।

এদিকে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকেরাও উচ্ছ্বসিত বলে জানালেন রামদেও বাজলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোস্তম আলী হেলালী। তিনি বলেন, শিক্ষকেরাও আজ বেশ আনন্দিত। অনেক দিন পর ক্লাসে ফিরতে পেরে ভালো লাগছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জয়পুরহাট জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাদুজ্জামান জানান, জেলার প্রতিটি বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের পদচারণে বিদ্যালয়গুলো মুখর হয়ে উঠেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন