বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গার হাটকালুগঞ্জে অবস্থিত প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সারা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তাপমাত্রার ওঠানামাকে প্রাণিকুলের জন্য হুমকি বলে মনে করছেন চিকিৎসাবিদেরা। শৈত্যপ্রবাহের কারণে সদর হাসপাতালে শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা সদর হাসপাতালের পুরুষ ও মহিলা মেডিসিন বিভাগে সোমবার রাতে শয্যার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ রোগীকে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাকিল আরসালান বলেন, সোমবার রাত আটটা থেকে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ভর্তি হওয়া রোগীর ৯০ শতাংশই অ্যাজমা, হাঁপানি, সর্দি-কাশিসহ শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ রোগে আক্রান্ত।

তাপমাত্রা ওঠানামা করায় চিকিৎসকেরা প্রসূতি, নবজাতকসহ শিশুদের বিশেষ যত্নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরে অবস্থিত মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রের চিকিৎসা কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, শৈত্যপ্রবাহ শুরু হওয়ায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। শৈত্যপ্রবাহ চলাকালে গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের গরম পানিতে গোসল করতে হবে। ঠান্ডা পানি পান করা যাবে না। খালি পায়ে হাঁটা যাবে না। বাতাসে দাঁড়ানো যাবে না। দুধ-ডিমসহ পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। নবজাতকসহ শিশুসন্তানকে সব সময় শরীরের স্পর্শে, অর্থাৎ ক্যাঙারু মা পদ্ধতিতে যত্নে রাখতে হবে।

চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম সরকার প্রথম আলোকে বলেন, চলতি বছর বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্র্যাক হতদরিদ্রদের জন্য কম্বল বিতরণ করেছে। বেসরকারি উদ্যোগে এই তৎপরতা আরও জোরদার হওয়া দরকার। এ জন্য সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন