বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ওই নারী বেশ কিছুদিন ধরে তাঁর দুই সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। অভাবের কারণে তিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন। পূর্বপরিচিত মিজানুর রহমান ওই নারীকে স্থায়ীভাবে একটি কাজ দেওয়ার কথা বলে গত মঙ্গলবার দুপুরে আলমডাঙ্গা উপজেলার আসমানখালী বাজারে আসতে বলেন। সেই অনুযায়ী ওই নারী আসমানখালী বাজারে গেলে মিজানুর রহমান তাঁকে (নারীকে) স্থানীয় আবদুর রশিদের দোতলা ভবনের একটি কক্ষে নিয়ে যান। দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সেখানে আটকে রেখে আটজন মিলে পর্যায়ক্রমে তাঁকে ধর্ষণ করে চলে যান। পরে ওই নারী নিজেই বাড়িতে ফিরে যান।

মামলার পর আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শেখ মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ আসামিদের ধরতে রাতে অভিযানে নামে এবং এজাহারভুক্ত আসামি মুলাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। শেখ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সদর হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আর গ্রেপ্তার আসামি মুলাম হোসেনকে আদালতে তোলা হবে।’

অপর এক ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ১

২২ বছর বয়সী এক গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলায় আবুল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দর্শনা থানার পুলিশ। ওই নারীর বাবা বাদী হয়ে গতকাল বিকেলে মামলাটি করেন। গ্রেপ্তার আবুল হোসেন আলমডাঙ্গা সদর উপজেলার বাসিন্দা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই নারী ১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে বাড়িতে একা অবস্থান করছিলেন। এ সময় আবুল হোসেন বাড়িতে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণ করেন।
ধর্ষণের ১৫ দিন পর কেন মামলা করা হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে মামলার বাদী বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে প্রতিবেশীদের ভাষ্য, আবুল হোসেনের সঙ্গে ওই নারীর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক চলছিল। সম্প্রতি নিজেদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় তা ধর্ষণ মামলা পর্যন্ত গড়াল।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাব্বুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে আজ আদালতে তোলা হবে। ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আদালতে জবানবন্দি নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন