default-image

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেছেন, শহর ও গ্রামের মধ্যে ব্যবধান কমাতে সরকার নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। গ্রামের মধ্যেই স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিনোদনসহ সব সুযোগ-সুবিধা থাকবে। শহরের সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে তৈরি হবে দেশের প্রতিটি গ্রাম। প্রাথমিকভাবে দেশের আটটি বিভাগের ১৫টি গ্রামকে ‘আদর্শ’ হিসেবে বেছে নেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে তা বাড়িয়ে ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত বাংলাদেশের সব গ্রামকেই এর অন্তর্ভুক্ত করা হবে। শহরের নাগরিকদের দেওয়া সরকারের সব ধরনের সেবার সুযোগ দেওয়া হবে গ্রামে বসবাসকারীদের।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নবনির্মিত কার্যালয়সহ একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিতের পাশাপাশি সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা হবে দেশের গ্রামগুলো।

উন্নত বিশ্বের মতো দেশের প্রতিটি গ্রামকেই শহরের আদলে তৈরি করা হবে। প্রতিটি স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্রামে বিদ্যুৎ, পানি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, উন্নত স্যানিটেশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক রাস্তাঘাট, মার্কেট, খেলার মাঠ, পার্ক ও বিনোদনকেন্দ্র তৈরি করা হবে।
বিজ্ঞাপন

ইমরান আহমদ আরও বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো দেশের প্রতিটি গ্রামকেই শহরের আদলে তৈরি করা হবে। প্রতিটি স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্রামে বিদ্যুৎ, পানি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, উন্নত স্যানিটেশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক রাস্তাঘাট, মার্কেট, খেলার মাঠ, পার্ক ও বিনোদনকেন্দ্র তৈরি করা হবে। নাগরিকদের সব ধরনের সুবিধা গ্রামে নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় নেবে। প্রাপ্য সব নাগরিক সুবিধা দিয়ে তৈরি করা হবে ‘মডেল গ্রাম’।

কর্মসূচিগুলোতে বক্তব্য দেন গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফারুক আহমদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুস সাকিব, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম আম্বিয়া, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফিয়া বেগম, গোয়াইনঘাট সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফজলুল হক, গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আহাদ, সিলেটের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

মন্তব্য পড়ুন 0