বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার সকালে পূজা করতে গিয়ে মন্দিরগুলোর দরজা খোলা এবং মন্দিরের ভেতরে রাখা কালীমূর্তি ও শিবমূর্তিগুলো ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে এলাকার লোকজন ভিড় করতে শুরু করেন। বিষয়টি আটোয়ারী থানা–পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। পরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী শক্তি চন্দ্র পাল ও তাঁর নির্বাচনী কর্মী একই ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া এলাকার নির্মাণশ্রমিক সনাতন পালকে আটক করা হয়।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত কালীমন্দিরগুলো ঘিরে রেখে বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছেন।

পঞ্চগড় জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিপেন চন্দ্র রায় বলেন, ২৮ নভেম্বর ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনের আগমুহূর্তে মন্দিরে ঢুকে মূর্তি ভাঙার মতো এই জঘন্য কাজগুলো যাঁরাই করেছেন, তাঁরা যে ধর্মেরই হোন না কেন, তাঁদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। নির্বাচনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্যই এমন ন্যক্কারজনক কাজ করা হয়েছে বলে তিনি সন্দেহ করছেন।

পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, তিনটি কালীমন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে ইতিমধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। ঘটনার তদন্ত চলছে। আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন