বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৬ বোতল ফেনসিডিলসহ জায়েদা খাতুনকে, ২০১৩ সালে ২৫ বোতল ভারতীয় মদসহ কামরুজ্জামানকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা হয়। সেই মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে দুজনেই জামিনে ছিলেন। দুই মামলায় দীর্ঘ শুনানি শেষে রোববার যশোরের যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের বিচারক আটটি শর্তে দুই আসামিকে কারাগারে না পাঠিয়ে বাড়িতে থেকে সংশোধনের সুযোগ দিয়েছেন।

শর্তগুলো হলো: মাসে একবার এতিম শিশুদের একবেলা সাধ্যমতো খাবার খাওয়ানো, বিনা মূল্যে সরকারি আইনি সহায়তা কেন্দ্র সম্পর্কে মানুষকে তথ্য জানানো, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের সমাধি প্রাঙ্গণে আসা অতিথিদের পানি পান করানো ও তাঁদের শিশুসন্তানদের সময় দেওয়া, প্রবেশন কর্মকর্তাকে বাসস্থান ও জীবিকার উপায় সম্পর্কে অবহিত করা, সৎ ও শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন করা, দুই বছরের মধ্যে বিদেশ ভ্রমণ না করা, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তলব করলে যথাসময়ে উপস্থিত হওয়া এবং আদালত নির্দেশ দিলে যেকোনো সময় দণ্ড ভোগ করতে বাধ্য থাকা।

আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) ভীমসেন দাস বলেন, মাদক মামলার দুই আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে কারাগারে না পাঠিয়ে দুই বছরের প্রবেশনে মুক্তি দিয়েছেন বিচারক। এ সময়ের মধ্যে তাঁরা সংশোধন না হলে দুই বছরের জন্য কারাগারে পাঠানো হবে। শার্শার সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন কর্মকর্তা তাঁদের তত্ত্বাবধান করে তিন মাস পরপর আদালতের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন