বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, ঘটনার সময় বৃষ্টি হচ্ছিল। আকাশে বিজলি চমকাচ্ছিল। এ রকম আবহাওয়ার সুযোগ নিয়ে বিস্ফোরণের পর কারখানার মালিক মো. বোরহান উদ্দিন ও তাঁর লোকজন ঘরটিতে বজ্রপাত হয়েছিল বলে প্রচারণা চালান। কিন্তু ধ্বংসযজ্ঞ এতটাই বেশি ছিল যে ওই প্রচারণা হালে পানি পায়নি। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে দুই নারীর লাশ উদ্ধার করেন।

নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করেছে। একটি ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে এবং অন্য মামলাটি ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যার অভিযাগে। অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, অবৈধ আতশবাজির কারখানাটির কথা পুলিশের জানা ছিল না। গ্রাম পুলিশের সদস্যরা এ বিষয়ে থানায় কোনো তথ্য দেননি। এলাকাবাসীও পুলিশকে জানায়নি।

জাতীয় দিবসের তোপধ্বনির জন্য ওই কারখানা থেকে তোপ বা আতশবাজি সংগ্রহ করা হতো বলে যে অভিযোগ পাওয়া গেছে, সে প্রসঙ্গে ওসি মিজানুর রহমান বলেন, সেখান থেকে তাঁরা কখনো তোপ বা আতশবাজি সংগ্রহ করেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন