বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে আবদুল হামিদ নামের এক ব্যক্তির করা জমিসংক্রান্ত বিরোধের একটি মামলায় কুদরত-ই-খুদাসহ অন্য আসামিরা গত ১৬ সেপ্টেম্বর বেলা সোয়া ১১টার দিকে পঞ্চগড় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে যান। এ সময় আদালত চত্বরে বাদী-বিবাদীপক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটে। মারামারির সময় চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে আদালতের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা আদালত ক্যানটিনে গিয়ে মারামারি থামিয়ে আবদুল হামিদ ও নুর ইসলাম নামের দুজনকে আটক করে। পরে আদালত পুলিশ পঞ্চগড় সদর থানা-পুলিশকে খবর দিলে সদর থানা-পুলিশ আদালতের বাইরে অভিযান চালিয়ে আরও চারজনকে আটক করে। এ ঘটনায় পুলিশের মামলা দায়েরের পর আটক ছয়জনকে সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। তবে ঘটনার পরপরই আদালত থেকে বাংলাবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা পালিয়ে যান।

কুদরত-ই-খুদা তেঁতুলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এবার দল তাঁকে মনোনয়ন দেয়নি।

ওই দিন সন্ধ্যায় তেঁতুলিয়া আমলি আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মজিবর রহমান বাদী হয়ে কুদরত-ই-খুদাকে প্রধান আসামি করে সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজনকে আসামি করে পঞ্চগড় সদর থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় বেআইনিভাবে আদালত চত্বরে প্রবেশ করে মারামারি, সরকারি কাজে বাধাদান ও সরকারি কর্মচারীকে বল প্রয়োগের হুমকিসহ আদালতের বিচারিক পরিবেশের শৃঙ্খলা নষ্টের অভিযোগ আনা হয়।

পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে আসামি আবদুল হামিদ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে স্থায়ী জামিন পান। এ ছাড়া অন্য পাঁচজন আসামি জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে রয়েছেন। মামলার প্রধান আসামি কুদরত-ই-খুদা উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন