বিজ্ঞাপন

জেলা আইনজীবী সমিতির জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আওলাদ হোসেন বলেন, আলামত একটি মামলার গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। এসব যাতে নষ্ট ও চুরি হয়ে না যায়, সে জন্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে রাখতে হয়। মামলা তদন্তাধীন পর্যায়ে আলামতের বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে হবে। মামলার রায়ের সঙ্গে আলামতের বিষয়ে আদালতের আদেশ দেওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনে এসব মাল নিলামে বিক্রি করে ওই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা যেতে পারে।

এ বিষয়ে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ওয়াজেদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, অধিকাংশ মামলা যেগুলো নিষ্পত্তি হয়েছে। সেগুলোর আলামত বাইরে রয়েছে। এসব নিলামে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা করা হয়। তবে অস্ত্র, স্বর্ণ, টাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

default-image

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, সম্প্রতি জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে সব থানার মামলার আলামত থানা থেকে আদালতের মালখানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিচারাধীন মামলাগুলো যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, লাখ লাখ মামলার আলামত। ১০ শতাংশ আলামত রাখা সম্ভব হলেও ৯০ শতাংশ মামলার আলামত রাখার জায়গা নেই। সেগুলো আদালত প্রাঙ্গণে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে রাখা হচ্ছে। আলামত রাখার জন্য জায়গা বাড়ানো প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন