বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আশরাফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ওই নারী সদস্য ও প্রশিক্ষককে আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে নারীর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে নারী সদস্য বলেন, ওই প্রশিক্ষক যদি তাঁকে বিয়ে করেন, তাহলে তিনি অভিযোগ তুলে নেবেন। অন্যথায় ওই নারী প্রচলিত আইনে প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করবেন। পরে ওই প্রশিক্ষক বিয়ে করতে রাজি হলে বিকেলে আট লাখ টাকা দেনমোহরে দুজনের বিয়ে হয়।

উপজেলা কমান্ডার মুজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ওই প্রশিক্ষক তিন বছর আগে উপজেলা কার্যালয়ে যোগ দেন। এরপর ওই নারীর সঙ্গে ওই প্রশিক্ষক বিয়ের কথা বলে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি গুরুতর দেখে তিনি জেলা কমান্ডিং অফিসারকে জানান। এর আগেও একাধিকবার ওই প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা রকম অভিযোগ এসেছিল বলে জানান।

বিয়ের পর ওই নারী আনসার সদস্য বলেন, এ বিষয়ে তাঁর আর কোনো অভিযোগ নেই। তবে ওই নারী আগে অভিযোগ করেছিলেন, ২০২০ সালের শুরুতে উপজেলায় প্রশিক্ষণ নিতে আসার পর থেকে ওই প্রশিক্ষক তাঁকে উত্ত্যক্ত করতেন। বিভিন্ন সময়ে যৌন নিপীড়ন করতেন। একপর্যায়ে বিয়ের কথা বলে ওই প্রশিক্ষক তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। কিন্তু নানা টালবাহানায় ওই প্রশিক্ষক তাঁকে বিয়ে করেননি। বিয়ের কথা বলে একাধিকবার কাজি অফিসে গিয়েও ফিরে আসেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে তিনি আনসার–ভিডিপি কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ওই নারী আনসার সদস্যের বক্তব্য শোনেন। তখন ওই নারীকে তিনি বলেন, মামলা করতে চাইলে পুলিশ মামলা নেবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করবে। তবে পরে দুই পক্ষের সমঝোতায় বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন