বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রফিকুল ইসলামের সঙ্গে এক নারীর আপত্তিকর ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দলীয় গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। পাশাপাশি দলের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই শাস্তিস্বরূপ রফিকুলকে দল থেকে আজীবন বহিষ্কার করার দাবি জানান তাঁরা।

রফিকুল ইসলাম উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের পুটিয়াখালী গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে। তিনি রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ৯ নম্বর সহসভাপতি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রফিকুল ইসলামের ভিডিওটি দুই সপ্তাহ ধরে ফেসবুক মেসেঞ্জার ও ইমোতে ছড়িয়ে পড়েছে। এর পর থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। রফিকুল ইসলামের বহিষ্কার দাবিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার সাঁটানো হয়েছে।

এর আগে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা। গত ৫ জানুয়ারি উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের সভাপতি ও সম্পাদকদের স্বাক্ষরিত আবেদনপত্রটি জেলায় পাঠানো হয়। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল বিভাগীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদককেও এই আবেদনের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়া হায়দার খান বলেন, রফিকুল ইসলামের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দলের কোনো নেতার ব্যক্তিগত অপকর্মের দায়ভার দল নেবে না।

এ বিষয়ে কথা বলতে রফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন