default-image

লতিফ সিদ্দিকী ছিলেন একজন আপাদমস্তক আদর্শিক মানুষ। শত অভাব, প্রতিবন্ধকতায়ও নীতি ও আদর্শ থেকে তিনি একটুও বিচ্যুত হননি। বহুগুণের অধিকারী লতিফ সিদ্দিকী ছিলেন একাধারে সাংবাদিক, রাজনীতিক, নাট্যকার, কবি, গল্পকার ও শিশু সংগঠক। প্রগতিশীল চিন্তাধারার এই মানুষটি আজীবন নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে মানিকগঞ্জ শহরের স্যাক মিলনায়তনে আয়োজিত লতিফ সিদ্দিকীর স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তাঁর স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। স্মরণসভায় শিশু সংগঠক ও সাংবাদিক রনজিত কুমার সরকারকে স্মরণ করা হয়।

স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও জেলা প্রগতি লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় বক্তৃতা করেন সংগঠনের সদস্যসচিব বিমল রায়, জেলা জাসদ নেতা ইকবাল হোসেন খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মণীন্দ্র কুমার সরকার, জেলা উদীচী সংসদের সাবেক সভাপতি গাজী ওয়াজেদ আলম, কবি আনিছুর রহমান, রনজিত সরকারের সহধর্মিণী সংগীতা রানী সরকার, সমাজসেবক তাপস কর্মকার, প্রথম আলোর মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি আব্দুল মোমিন প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার ছিল লতিফ সিদ্দিকীর ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ১৯৯৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় নেতা ছিলেন লতিফ সিদ্দিকী। তিনি ছিলেন খেলাঘর সংগঠনের সংগঠক। লতিফ সিদ্দিকী প্রথম আলোর মফস্বল সম্পাদক ছিলেন। এ ছাড়া তিনি ভোরের কাগজ ও সংবাদ পত্রিকায় কাজ করেছেন। তিনি রোদ্দুর নামের একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। ‘জনৈক হরিদাস পালের নিজের কথা’ তাঁর পাঠকসমাদৃত উপন্যাস।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন