সরেজমিন আশাশুনির বলাবাড়িয়া ও দয়ারঘাট এলাকায় দেখে যায়, ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। আবার কোথাও খননযন্ত্র দিয়ে মাটি ফেলা হচ্ছে বাঁধে। একইভাবে শ্যামনগরের গাবুরা ও গাঁকড়ামারি এলাকার বাঁধে মাটি ফেলা হচ্ছে।

আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাউনিয়া গ্রামের বাসিন্দা নফর আলী গাজী (৬৫) ও ইদ্রিস ঢালী জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও ইয়াসের সময় খোলপেটুয়া নদীর পানিতে বাড়িঘর ও মাছের ঘের তলিয়ে যায়। গৃহহীন ছিলেন দীর্ঘদিন। ছয় মাস আগে ভিটায় ফিরে মাথা গোঁজার ঠাঁই তৈরি করেছেন। মাছের পোনা ছেড়েছেন ঘেরে। এ অবস্থায় যদি ঘূর্ণিঝড় অশনি আঘাত হানে, তাহলে তাঁদের গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।

নফর ও ইদ্রিস আলী জানান, কুড়িকাউনিয়া খেয়াঘাটের পাশের বাঁধ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। দমকা বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি হলেই বাঁধ ভেঙে লোকালয় তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

শ্যামনগরের গাবুরা গ্রামের নূর নাহার (৫০) ও হাসনা বানু (৫৫) জানান, ঘূর্ণিঝড় হলেই তা দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায় আঘাত হানে। খোলপেটুয়া ও কপোতাক্ষ নদের বাঁধ ভেঙে কিংবা পানি উপচে ঘরবাড়ি তলিয়ে যায়। এবার গাবুরার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ মেরামত করা হচ্ছে। কিন্তু এরপরও তাঁদের ক্ষতির শঙ্কা কাটছে না।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভাগ-১–এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের বলেন, তাঁদের আওতায় ২ কিলোমিটার বাঁধের ১০টি স্থান ঝুঁকিপূর্ণ। এসব স্থানে কাজ করা হচ্ছে। সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন