বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উত্তরের এই জনপদে তাপমাত্রা ওঠানামা করলেও এখানে চার দিন ধরে রাতভর ঠান্ডা বাতাস বইছে। এদিকে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টার পর সূর্যের আলোর দেখা মিললেও বাতাসের সঙ্গে পেরে উঠছে না রোদের তীব্রতা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ প্রথম আলোকে বলেন, তেঁতুলিয়ার আকাশে হালকা মেঘ রয়েছে। এ ছাড়া আকাশের উপরিভাগ ঘন কুয়াশা আর জলীয় বাষ্পে ঢাকা থাকায় সূর্যের আলো দেরিতে ভূপৃষ্ঠে পৌঁছাচ্ছে। সেই সঙ্গে সাইবেরিয়ান ভারী শীতল বাতাস সরাসরি তেঁতুলিয়ায় ঢুকে শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

এদিকে শীত জেঁকে বসায় খেটে খাওয়া মানুষ বিপাকে পড়েছেন। কনকনে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে ছিন্নমূল মানুষের অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, শীতার্ত মানুষের জন্য ইতিমধ্যে সরকারিভাবে পাওয়া ৩২ হাজার ৩৯৯টি কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিচ্ছিন্নভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন