প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকালে নির্ধারিত সময়েই টিটিই শফিকুল ঈশ্বরদী রেলজংশনের টিটিজ হেডকোয়ার্টারে যান। এরপর তিনি দায়িত্ব বুঝে পেয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঈশ্বরদী জংশনে পৌঁছায়। বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে তিনি ট্রেনে উঠে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
এ ব্যাপারে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আবার ট্রেনে দায়িত্ব পেয়ে আমি খুশি। নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে চাই।’ এর আগে গতকাল সোমবার দুপুরে তিনি ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের টিটিজ হেডকোয়ার্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজে যোগ দেন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে খুলনা থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে ঈশ্বরদী রেলজংশন স্টেশন থেকে বিনা টিকিটে তিন যাত্রী ঢাকায় যাচ্ছিলেন। তাঁরা ট্রেনের এসি কামরায় বসে ছিলেন। তাঁদের কাছে ভাড়া চাইলে টিটির সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে ওই তিন যাত্রী নিজেদের রেলমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয় দেন। শফিকুল ইসলাম তাঁদের কাছ থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা ভাড়া নিয়ে এসি কামরা থেকে শোভন কামরায় পাঠান। ওই তিন যাত্রী শোভন কামরাতেই ঢাকা পৌঁছান। এর কিছুক্ষণের মধ্যে মুঠোফোনে টিটিই শফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্তর বিষয়টি জানানো হয়।

বরখাস্তের কারণ হিসেবে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) নাসির উদ্দিন ইমরুল কায়েস নামের এক যাত্রীর হাতে লেখা একটি অভিযোগপত্র গণমাধ্যমকে দেন। পরে এ ঘটনায় রেল কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। গত রোববার থেকে তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে। রোববারেই টিটিই শফিকুল ইসলামের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন