বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেলচালক খলিলুর রহমান ছুরিকাটা এলাকার সৈকত ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রল নিয়ে সড়কে উঠছিলেন। এ সময় কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা দ্রুতগতির ইউনা ক্ল্যাসিক বাসটির (ঢাকা মোট্রো-ব-১৫-০৩৫৯) সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের নিচে পড়ে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের চালক খলিলুর রহমান নিহত হন। এ ছাড়া বাসের ১০ জন যাত্রী আহত হন। গুরুতর আহত আমির হোসেন জমাদার, মিরাজ মুন্সি, জুয়েল মিয়া, আকলিমা বেগম, মাকসুদা আক্তার, শিশু নাকিব হোসেনকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।

খবর পেয়ে আমতলী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পরপরই বাসের চালক, সহকারী ও সুপারভাইজার পালিয়ে যান। পুলিশ বাসটিকে জব্দ করেছে। মোটরসাইকেলচালক খলিলের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

বাসযাত্রী নাভিল হোসেন বলেন, ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে ইউনা ক্ল্যাসিক বাসটি কুয়াকাটা থেকে পটুয়াখালী যাচ্ছিল। আমতলী সৈকত ফিলিং স্টেশনে সামনে এলেই মোটরসাইকেলের সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। এরপর বাসটি ওই মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা সুমন খন্দকার বলেন, মোটরসাইকেলচালক খলিলুর রহমান হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন। গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত ব্যক্তিদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়।

আমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘মোটরসাইকেলচালক খলিলুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। বাসটি জব্দ করা হয়েছে। বাসের চালক ও তাঁর সহকারীকে এখনো আটক করা যায়নি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন