default-image

বরগুনার আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান করোনায় (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার সাত দিন পর তাঁর শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুজ্জামানকে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়। এর ৯ দিন পর গতকাল তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। এর আগে ৫ মার্চ করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেন তিনি। টিকা গ্রহণের পর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বরগুনায় এই প্রথম। বর্তমানে তিনি বাসায় আইসোলেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, আমতলী ও তালতলী উপজেলায় করোনার টিকা গ্রহণের জন্য ৯ হাজার ৭১৮ জন নিবন্ধন করেন। গতকাল পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন ৮ হাজার ৬৯৬ জন। এর মধ্যে ৫ হাজার ৭৭১ জন করোনা টিকার প্রথম ডোজ এবং ২ হাজার ৯২৪ জন দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন।

ইউএনও আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, গত ২৯ এপ্রিল অসুস্থ বোধ করেন তিনি এবং তাঁর শরীরে কোভিডের উপসর্গ দেখা যায়। পরের দিন তিনি আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দেন। পরীক্ষার পর ২ মে তাঁর করোনা শনাক্ত হয়। বর্তমানে তিনি বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁর জ্বর ও মাথাব্যথা আছে। জ্বর থেকে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোনায়েম খান প্রথম আলোকে বলেন, ২৯ এপ্রিল ইউএনওর করোনার উপসর্গ দেখা দেয়। পরদিন তাঁর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় তাঁর করোনা পজিটিভ আসে। এর আগে ২৪ এপ্রিল তিনি করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেন। এর সাত দিন পর তিনি করোনায় আক্রান্ত হন।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন