ঢাকার আরমানিটোলা মাঠসংলগ্ন ফটকের পশ্চিম পাশে হঠাৎ বিস্ফোরণে 
ক্ষতিগ্রস্ত পয়োনালা ও সড়ক। আজ বিকেলে।
ঢাকার আরমানিটোলা মাঠসংলগ্ন ফটকের পশ্চিম পাশে হঠাৎ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত পয়োনালা ও সড়ক। আজ বিকেলে।ফোকাস বাংলা

পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় বিস্ফোরণে হঠাৎ প্রধান সড়কটি চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। আজ বুধবার বিকেলের এই বিস্ফোরণে ৯ পথচারী আহত হন। তাঁদের মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ বলছে, সড়কের নিচে পয়োনালার (স্যুয়ারেজ) পাশে গ্যাসের লাইনের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বেরিয়ে জমেছিল। সেই গ্যাসের চাপেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

বংশাল থানার পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে আরমানিটোলা মাঠসংলগ্ন ফটকের পশ্চিম পাশে হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। এ সময় পয়োনালার ওপরে ঢাকনা ও আশপাশের সড়ক ফেটে ও ভেঙে চূর্ণ–বিচূর্ণ হয়ে যায়। এ সময় সেখান দিয়ে চলাচল করা ৯ জন পথচারী আহত হন।

বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন ফকির সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, বিস্ফোরণের খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে আহত ব্যক্তিদের রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা যায়। তাঁদের পা কেটে ও ছিলে গেছে। ৯ জনকেই উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ফায়ার সার্ভিস ও তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া হলে তারাও ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। পয়োনালার ওপরের ঢাকনা ও চূর্ণ–বিচূর্ণ হয়ে যাওয়া সড়কটির ইট–সুরকির আঘাতে পথচারীরা আহত হন। চিকিৎসকেরা বলেছেন, তাঁদের কারোর অবস্থাই গুরুতর নয়। ক্ষতস্থলের চিকিৎসা ও ব্যান্ডেজ করে রাতের মধ্যেই সবাইকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

হাসপাতালে ভর্তি নওয়াব আলী প্রথম আলোকে বলেন, হঠাৎ বিকট শব্দে তিনি ও আশপাশের পথচারীরা রাস্তায় পড়ে যান। এ সময় দেখেন, তাঁদের পা দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। সড়কটি ভাঙাচোরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।


তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী মো. মামুন প্রথম আলোকে বলেন, পয়োনালার পাশ দিয়ে যাওয়া গ্যাসের লাইনের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বেরিয়ে জমেছিল। সেই গ্যাসের চাপেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর তিতাসের কর্মীরা গ্যাসের লাইনের ছিদ্র মেরামত করে দিয়েছেন। সেখানকার পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন