বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় লোকজন জানান, আট মাসের বেশি সময় ধরে পাঠাগারটি বন্ধ। এ পাঠাগার থেকে বই নিয়ে পড়াশোনা করত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা। গল্প-উপন্যাসসহ বিভিন্ন ধরনের বই পড়ুয়া বাঙালি হিন্দু, মুসলিম ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর পাঠকেরাও বই নিতেন পাঠাগার থেকে।

আদিবাসী ছাত্র পরিষদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দিলীপ পাহান পাঠাগারটি সম্পর্কে বলেন, নাচোলের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বেশির ভাগ লোকজনই গরিব। অভাব–অনটনের কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুল-কলেজ থেকে ঝরে পড়ে। যাদের আগ্রহ ও মনের জোর বেশি, তারাই কেবল টিকে থাকে। এসব শিক্ষার্থীকে সহায়তার জন্য পাঠাগারে পাঠ্যবইও রাখা আছে। বই নিয়ে পড়ে পরীক্ষা শেষে ফেরত দিয়ে যেত তারা। পাঠাগার বন্ধ থাকায় সে সুযোগ মিলছে না।

গ্রন্থাগারিক নির্মল বর্মণ প্রথম আলোকে জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আর্থিক সহায়তায় পাঠাগারটি পরিচালিত হয়। সহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত মার্চ মাস থেকে পাঠাগারের কার্যক্রম বন্ধ। এ ছাড়া অনেক বই পড়ে আছে পাঠকের কাছে।

পাঠাগার পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিধান সিং বলেন, এর আগেও দুইবার তহবিল বন্ধের কারণে পাঠাগারের কার্যক্রম থেমে যায়।

নাচোলের ইউএনও শরিফ আহম্মেদ জানান, তহবিলের বিষয়ে শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন