এদিকে হামলার ঘটনায় নাজমুল হুসাইন আহত হয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হামলার ঘটনার পর সন্দেহভাজন পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তুহিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

এদিকে চেয়ারম্যানের সমর্থকেরা পাল্টা মিছিল বের করার উদ্যোগ নিলে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে চেয়ারম্যানের সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করায় পুলিশের একজন পরিদর্শকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁরা হলেন আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শেখ মাহবুবুর রহমান, উপপরিদর্শক শরিয়তউল্লাহ, সহকারী উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম এবং কনস্টেবল মামুন ও শাওন আহত হন। হামলাকারীরা পুলিশের দুটিসহ ছয়টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তিনটি ফাঁকা গুলি ছুড়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আজ তরিকুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, এসব ঘটনায় নাজমুল হুসাইনের পক্ষ ছাড়াও পুলিশের পক্ষ থেকে পৃথক মামলা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন