বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত ইয়ামিন আলী উপজেলার বারাদী ইউনিয়নের মাদারহুদা গ্রামের খেদের আলীর ছেলে। পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধারের পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে এবং আহত বুলবুলি খাতুনকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে। বাস, তার চালক ও সহকারীকে আটক করা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ইয়ামিন আলী তাঁর স্ত্রী বুলবুলি খাতুনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে আলমডাঙ্গা থেকে কুষ্টিয়ায় যাচ্ছিলেন। পথে শ্রীরামপুর এলাকায় পৌঁছালে চুয়াডাঙ্গা থেকে কুষ্টিয়াগামী দ্রুতগামী একটি বাস সজোরে পেছন থেকে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই রাস্তায় ছিটকে পড়েন। স্থানীয় লোকজন মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে আলমডাঙ্গার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিলে চিকিৎসক ইয়ামিনকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে আহত বুলবুলি খাতুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এই হতাহতের ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। বাস, তার চালক ও সহকারীকে আটক করা যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন