স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, গতকাল সকালে মাহমুদ উল্লাহ ও তাঁর স্ত্রী দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে কাজে গিয়েছিলেন। কাজ শেষে দুপুরে ফেরার পর দেখেন দুই মেয়ে বাড়িতে নেই। পরে তাঁরা আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও দুজনের কোনো সন্ধান পাননি। বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে গেছে, এমন সন্দেহে স্থানীয় লোকজন গতকাল রাতে ওই পুকুরে খোঁজাখুঁজি করে দুজনের লাশ উদ্ধার করেন।

চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন বলেন, আটারগোধার পুকুরপাড়ে একটি আমগাছ রয়েছে। সম্ভবত দুই শিশু আমগাছের তলায় আম কুড়াতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে গেছে। মাহমুদ উল্লাহর পরিবার খুবই দরিদ্র। দিনমজুরের কাজ করে তাঁরা জীবিকা নির্বাহ করেন।

আলীকদম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন সরকার বলেন, নিহত শিশু দুটির পরিবারের অভিযোগ না থাকায় তাদের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে দুই শিশুর দাফন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন