default-image

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার রাতে উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের নগরের হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন মো. রাসেল রাঢ়ী (১৮), মো. কবির হোসেন (৩৫) ও মো. আবদুর রহমান রাঢ়ী (৩৫)। আহত অন্যদের পরিচয় জানা যায়নি। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রাসেল রাঢ়ীকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নওমালা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেনের সঙ্গে নওমালা ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের অপর অংশের সাংগাঠনিক সম্পাদক মো. শাহজাদা হাওলাদারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে বুধবার রাত আটটার দিকে কামাল হোসেনের কয়েকজন সমর্থক নগরের হাট এলাকায় শাহজাদার কয়েকজন সমর্থককে গালিগালাজ করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। কামাল হোসেন স্থানীয় সাংসদ আ স ম ফিরোজের সমর্থক। আর শাহজাদা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌরসভার মেয়র মো. জিয়াউল হকের সমর্থক।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আর দুই পক্ষকেই পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার জন্য বলা হয়েছে। কেউ বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন